জনপ্রিয় কার্টুন স্ট্রিপ বেসিক আলী কমেডি সিরিজ ইন্টারনেটে

বেসিক আলীর পছন্দ খাওয়া, আড্ডা আর ঘুমানো| গ্যাস বিল দেয়ার মতো বিরক্তিকর কাজ ওর কি মানায়?

বেসিক আলীর ১৩ পর্বের প্রথম দফার সিরিজ অভিনয় করতে সবচেয়ে বেশি চাপ নিতে হয়েছে নাম ভূমিকার অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবকে| কারণ সে শুধু সবচেয়ে বেশি দৃশ্যে অভিনয় করেনি, তাকে সবচেয়ে বেশি বিভিন্ন মেকআপ নিতে হয়েছে! একবার ফকির, একবার পাখিওয়ালা, একবার অপিরিচিত ব্যাক্তি… এমনকি একবার একটি মেয়ের মেকআপ নিয়েছিল বেসিক!
যখন মেয়ের মেকআপ নিয়ে তৌসিফ শুটিং করছিলো, তখন এলাকার কিছু পোলাপান শাই করে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় হার্ড ব্রেক করে একযোগে “খ্যাক খ্যাক” করে হেসে আবার শাই করে চলে গিয়েছিলো; এক মিনিট পর আবারো ওরা ঘুরে এসে একই ভাবে আবার “খ্যাক খ্যাক” হাসি দিয়ে চলে যায়!

খাদ্য মৎসব
বেসিক আলীর কয়েকটা পর্বে খাওয়া দাবার দৃশ্য আছে– যেখানে নেহারি, পরোটা, ভুনা মাংস, কাবাব, পুডিং, ফল সহ আরো অনেক কিছু আছে! সবার নিশ্চই জানা আছে যে শুটিংয়ের সময়ে এসব খাবারকে “প্রপ” বলে! শুটিং শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রপ থাকতে হবে!
এখন কোনো দৃশ্যই এক দফাতেই রেকর্ডিং শেষ হয় না; এক দৃশ্য কয়েকবার অভিনয় করতে হয়|
যখন একটা এমন খাবার দৃশ্য শুট হচ্ছে, তখন বাজে রাত ৮ টা; সবার পেটেই খিদা– তার ওপর এসব কাবাব-নেহারীর গন্ধ!
অ্যাকশন বলার সাথে সাথে অভিনেতারা চরম উৎসাহের সাথে খাওয়া শুরু করলো– খেতে খেতে খাবার শর্ট হয়ে যেতে থাকলো; আর তখন ডিরেক্টরের অনুরোধ– ভাই দৃশ্যটা শেষ হওয়া পর্যন্ত আস্তে আস্তে খান; না হয় বাইরে থেকে আবার খাবার কিনে আনতে অনেক সময় লাগবে!
তৌসিফ সবচেয়ে বেশি খেয়েছিলো!

সাবরিনার স্ট্যান্ট
তের পর্বের প্রথম দফার বেসিক আলী সিরিজের একটা বড় রোমান্টিক কমেডি সিকোয়েন্স হচ্ছে বেসিক আর রিয়ার মধ্যে! আমরা যখন কাহিনী সাজিয়েছি তখন সেটা কিভাবে শুট করবো তা নিয়ে ভাবিনি; সেই দায়িত্বটা ডিরেক্টরের|
শুটিংয়ের দ্বিতীয় দিন এমন একটি দৃশ্যের জন্য ডিরেক্টর সায়েদ রিংকু একটা পার্কে বিশাল একটা শুটিং ক্রেন নিয়ে হাজির; এই ক্রেন থেকে ঝুলবে সাবরিনা ওরফে রিয়া– হাতে থাকবে কয়েক ডজন গ্যাস বেলুন!
সাবরিনার ড্রেস থেকে তার আর বেল্ট দিয়ে বেঁধে প্রথম যখন তাকে ওড়ানো হলো, তাতে তার ভড়কে যাওয়াই স্বাভাবিক! আর ভড়কে থাকলে সে অভিনয় করবে কি করে? তাই সাবরিনাকে বেশ কয়েকবার উড়তে হলো হাতে বেলুন নিয়ে! এবং এক পর্যায়ে রিয়া বেশ বেপারটাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *